মোমিন ইসলাম সরকার বিশেষ প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় যেখানে-সেখানে গড়ে উঠেছে কসাইখানা। দৈনিক এই কসাইখানাগুলোতে পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। পশু জবাই ও মাংস বিক্রির আগে পশুর স্বাস্থ্য ও মাংস পরীক্ষা ও নীরিক্ষার নিয়ম থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ কসাইখানায় তা মানা হচ্ছে না।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পরীক্ষা ছাড়াই জবাই হওয়ার কারণে ডায়রিয়া, এনথ্রাক্স এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক কসাইখানায় অবিক্রিত মাংস রেফ্রিজারেটরে রেখে পরের দিনের নতুন মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কসাইখানার মালিক বলেন, “আজ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কেউ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে আসেননি। আমরা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না।”
অন্যদিকে, দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো: হুমায়ুন কবীর জানান, “কসাইখানায় নিয়মিত পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।” নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা জয় রায় আরও বলেন, “সার্টিফিকেশন ও প্রত্যয়ন প্রক্রিয়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দায়িত্ব। এটি আমাদের দপ্তরের দায়িত্ব নয়।”
স্থানীয়দের অভিযোগ ও কর্মকর্তাদের বক্তব্যের এই দ্বন্দ্ব জনমনে প্রশ্ন তোলে—আমরা কি সত্যিই নিরাপদ মাংস খাচ্ছি?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া জবাই করা পশুর মাংস জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির বড় কারণ। তাই কর্তৃপক্ষের তৎপরতা এবং স্থানীয়দের সচেতনতা জরুরি।
কসাইখানায় জবাইয়ের সময় স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত না হলে, এসব অস্বাস্থ্যকর মাংস খেলে ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের ঝুঁকি থাকে।
মন্তব্য করুন