বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ি বাজারে ফুটপাথ উচ্ছেদ ও ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পর আবারও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন—এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।
আজ সকাল ১০টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ এম.এম. নাহিন আহসান (রাহবার) স্পষ্টভাবে দাবি করেন, সম্প্রতি যে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে একটি মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে আর্থিক অংশগ্রহণের ভিত্তিতে ঘর নির্মাণ শুরু হয়।বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা ব্যবসায়ীদের সহায়তায় অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন বলেও জানানো হয়। প্রশাসনিক তথ্যমতে—৮x৫ আকারের শেড নির্মাণ ,ভরাট কাজ, প্রবেশপথ উন্নয়ন, সাইনবোর্ড স্থাপন, এসব মিলিয়ে মোট ব্যয় হয় ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৯০০ টাকা। অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবিতে জমা নেওয়া অর্থ ফেরতও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪: গার্লস স্কুল থেকে ভূমি অফিস পর্যন্ত অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান সম্পন্ন করে।
১২ ডিসেম্বর ২০২৪: ৩০ জন ব্যবসায়ীকে শর্তসাপেক্ষে অস্থায়ী শেডে পুনর্বাসন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, কোনো ধরনের কোটি টাকা লেনদেন বা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেনি। উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তোলা হয়।
এদিকে, নাহিন আহসান রাহবার পরিচালিত বরগুনার একমাত্র বিটিআরসি অনুমোদিত ব্রডব্যান্ড সংযোগের ক্যাবল কাটার ঘটনাকে ঘিরেও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব ঘটনার সূত্র ধরেই নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বলছেন উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বিতর্কে না জড়িয়ে শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ সমাধানই এখন সময়ের দাবি।
মন্তব্য করুন