লালন সরকার,দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে কয়েকজন সরকারি বেতনভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
২১ ফেব্রুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে একুশের প্রথম প্রহরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হাসান-এর উপস্থিতিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে সকালে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অনুপস্থিতি দেখা যায়।
একুশের প্রথম প্রহরে দেবীগঞ্জ শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতি দেখা যায়।
অভিযোগ রয়েছে, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সরকারি কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেননি। বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন এবং অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গণমাধ্যমকর্মী আতাউর রহমান ও লালন সরকার মৌখিক অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বিষয় জানতে চান কি কারনে তারা আজ এই মিটিংয়ে আসেনি।এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
সচেতন নাগরিকদের মতে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ দিবসে সরকারি কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকা দায়িত্বশীলতার পরিপন্থী। তারা বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেছেন, আমরা সরকারি যেকোনো প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকি, কারণ এটি আমাদের দায়িত্ব। যারা অনুপস্থিত থাকেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি সকলকে চিঠি করেছি। যারা অনুপস্থিত ছিল, তারা কেন আসেনি তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে সরকারি কর্মসূচিতে সবার উপস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্তব্য করুন