লালন সরকার, দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়)
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত ‘বারি আলু-৯০’ এর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত ‘বারি আলু-৯০’ চাষ করে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার খাটুরিয়া এলাকার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে।১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার খাটুরিয়া এলাকায় কৃষকদের অংশগ্রহণে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহাদাত হোসেন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ড. মোঃ আলতাফ হোসেন, পরিচালক, কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর। বিশেষ অতিথি: মোঃ খোরশেদ আলম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক, কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প (টিসিআরসি), গাজীপুর।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ভূগুরাম বর্মন, মিথিলা ফারজানা, সানজিদা ফেরদৌস, মোঃ আসাদুজ্জামান।কৃষক পর্যায়ে উচ্চ ফলনশীল যুগপৎ আলু জাত ‘বারি আলু-১৩’ ও ‘বারি আলু-৯০’ এর উপযোগিতা যাচাই করা হয়। খাটুরিয়া এলাকার কৃষক মোঃ মাহাবুল ইসলাম দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বীজ আলু সংগ্রহ করে গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ‘বারি আলু-১৩’ ও ‘বারি আলু-৯০’ বপন করেন। ফলন দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। জানা গেছে, ‘বারি আলু-৯০’ লাল জাতের প্রতিটি গাছে গড়ে ১৪ থেকে ১৫টি আলু ধরেছে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, রোগমুক্ত বীজ আলু ব্যবহার করে উচ্চ ফলন পাওয়ায় তারা লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।বারি-৯০ আলুর মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ জন কৃষক-কৃষাণীর উপস্থিতিতে দিবসটি পালিত হয়।‘বারি আলু-১৩’ ও ‘বারি আলু-৯০’ চাষে অর্থায়ন করেছে কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প (টিসিআরসি), বিএআরআই, গাজীপুর এবং বাস্তবায়ন করেছে প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্র, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।
মন্তব্য করুন