বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনা সদর উপজেলার ২নং গৌরীচন্না ইউনিয়নের গৌরীচন্না গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরহুম আব্দুল হালিম মৃধার ছেলে মিলন মৃধা দীর্ঘদিন ধরে পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। তার মৃত্যুর পর ১২ জন ওয়ারিশ সম্পত্তির দাবিদার হলেও অধিকাংশ ওয়ারিশ নিজ নিজ অংশে অবস্থান করছেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন মিলন মৃধার বোন দিলরুবা খান ডিউটি তার স্বামী আতাউর রহমান দুলাল, ছেলে আলামিন খান সৈকত ও পুত্রবধূ সেতু বেগমকে নিয়ে মিলন মৃধার বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ সময় বাড়ির সামনে থাকা দোকানঘরের মালামাল নষ্ট করা হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে দোকানের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এতে দোকান ভাড়াটিয়ার প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানান, ১২ জন ওয়ারিশের মধ্যে ১১ জন একমত থাকলেও একজন অভিযুক্ত বারবার বিরোধ সৃষ্টি করছেন এবং স্থানীয় শালিশ না মেনে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করছেন। ভুক্তভোগী মিলন মৃধা বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পরিকল্পিতভাবে তার ঘর ও দোকানে হামলা চালিয়ে ক্ষতি করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। এদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও রাসেল মৃধা ও সোহাগ মৃধাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে দিলরুবা খান ডিউটি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এতে তাদের সম্মানহানি হয়েছে বলে দাবি করেন স্বজনরা। অপরদিকে অভিযুক্তরা তাদের অন্যায়কে আড়াল করতে মিলন মৃধার বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে দাবি ভুক্তভোগীদের। মিলন মৃধা ও সোহাগ মৃধা , রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে ঘটনার পর অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল আলীম জানান উক্ত ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন