আতাউর রহমারন দেবীগঞ্জ ।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় এক মাদ্রাসা র ছাত্রকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার পর নিখোঁজ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা মোঃ হামিদুল ইসলাম।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ হামিদুল ইসলামের ছেলে মারুফ হোসেন (১৮) ঠাকুরগাঁও খোসবাজার আলিম মাদ্রাসার আলিম বিভাগের শিক্ষার্থী। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি বিদ্যুতের কাজও জানতেন।গত ৯ মে বিকেলে মারুফের বন্ধু আল আমিন তাকে বাড়িতে ইলেকট্রিক কাজ করার কথা বলে ডেকে নেয়। পরে মারুফ তার বন্ধু মুরাদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত হাসেম আলীর বাড়িতে যায় এবং সেখানে বিদ্যুতের কাজ করে। অভিযোগে বলা হয়, রাত গভীর হলে অভিযুক্তরা মারুফ ও তার বন্ধুকে বাড়ি থেকে বের হতে দেয়নি এবং তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়।
পরবর্তীতে হাসেম আলীর নাবালিকা কন্যার সঙ্গে মারুফের বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। মারুফ বিয়েতে রাজি না হলে তাকে চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন ১০ মে সকালে অজ্ঞাতনামা কাজী এনে মারুফের কাছ থেকে জোরপূর্বক নিকাহনামা ও তিনটি ১০০ টাকার ফাঁকা নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।এদিকে মারুফের বন্ধু মুরাদকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মারুফকে আটক রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তার বাবা। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে আপোষ-মীমাংসার প্রস্তাব এলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২০ মে রাতে তারা জানতে পারেন হাসেম আলীর মেয়ে বাড়িতে থাকলেও মারুফ সেখানে নেই। পরদিন কয়েকজন সাক্ষী নিয়ে খোঁজ নিতে গেলে মারুফকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, মারুফকে পরিকল্পিতভাবে অজ্ঞাত স্থানে আটক করে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ সেলিম মালিক বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন